• বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব ও সংকট

ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব ও সংকট

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাম্রাজ্যবাদী মার্কিনের শাসকরা ফ্যাসিস্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে অপহরণ করেছে। সকল ধরনের আন্তর্জাতিক বুর্জোয়া আইন লঙ্ঘন করা এই বর্বর হামলায় অর্ধশত নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। বহু জনগণ তাদের নিজ এলাকা-বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মাদুরোকে ‘কোকেন’ নামক এক মাদক পাচারের হাস্যকর অভিযোগে অপহরণ করা হয়েছে। কিন্তু এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার যে, হামলার মূল উদ্দেশ্য সে দেশের তেল-সম্পদ লুণ্ঠন করা, তাকে নিজ অধীনতায় নেয়া এবং সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়ার অনুগত মাদুরোর নেতৃত্বাধীন ভেনেজুয়েলাকে সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের বশে আনা। অনেকদিন ধরে বশে আনতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মিথ্যা অভিযোগ করে একটি স্বতন্ত্র দেশের প্রেসিডেন্টকে এভাবে অপহরণ করা হলো। লাতিন আমেরিকার খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার বড় তেলের মজুদের দিকে শকুনের নজর ছিল মার্কিনের।

 ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বছরের পর বছর ভেনেজুয়েলান সরকারের উপর সামরিক আগ্রাসনের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিনের এই ধরনের সন্ত্রাসী বর্বর হামলা এই প্রথম নয়। এর আগে ১৯৮৯ সালে পানামার প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নোরিগাকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে একইভাবে আটক করেছিল। 

ট্রাম্প এখন ঘোষণা করেছে, ভেনেজুয়েলাকে এখন তারাই চালাবে, সে দেশের তেল তারাই বিক্রি করবে, তেল-বিক্রির লাভ তারাই নেবে, তবে ভেনেজুয়েলাকেও কিছু ভিক্ষা দেবে। কিছু আগে মার্কিনের একনিষ্ঠ দালাল মাচেদোকে নোবেল পুরষ্কার পাইয়ে দেয় আমেরিকা। যে মাচেদো কি না লাতিন আমেরিকার একমাত্র আলোচিত ব্যক্তি যে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যাকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছিল। আর এখন ট্রাম্প-মার্কিন এই মাচেদো বা বর্তমান ভাইসপ্রেসিডেন্টে’র মতো লোকদের দিয়েই ভেনেজুয়েলাকে চালাতে চায়। বর্তমানের আধুনিক বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী শোষণ-নিয়ন্ত্রণ বিশ্বজুড়ে সর্বত্র থাকলেও এ ধরনের গুন্ডামি সাম্রাজ্যবাদের সংকট ও আগ্রাসী তৎপরতার এক নতুন পর্বকে প্রকাশ করছে। লাতিন আমেরিকায় পুরোপুরি মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ১৮২৩ সালের ‘মনরো ডকট্রিন’ বা পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের নীতিকে নবায়ন করে ‘ডনরো ডকট্রিন’ নামকরণ করে ফ্যাসিস্ট ট্রাম্প। এটা ট্রাম্প-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের এক নিকৃষ্টতম ফ্যাসিস্ট রূপ। একটা দেশের প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করে ঐ দেশ আবার নিজে চালানোর ঘোষণা দেওয়া সেই নগ্ন চরিত্রই প্রকাশ করে। 

চীন ভেনেজুয়েলায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অন্যদিকে দেশটির সমরাস্ত্রের যোগান দেয় রাশিয়া। ফলে মার্কিনের আধিপত্য সেখানে হুমকির মুখে থাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ‘মাদুরো-কান্ড’ ঘটায়। শুধু তাই নয়, মেক্সিকো, কিউবা, কলম্বিয়া, গ্রিনল্যান্ড দখলেরও তারা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসবের মধ্য দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আরো ফ্যাসিস্টরূপে অবতীর্ণ হয়েছে। লেনিন বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদ মানেই যুদ্ধ। 

ভেনেজুয়েলার উপর এমন আক্রমণ আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বেরও ফলশ্রুতি। এটা আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের পরিণতি হিসেবে ৩য় বিশ্ব যুদ্ধের আরো কাছে নিয়ে গেলো বিশ্বকে। মার্কিনীদের এমন সন্ত্রাসী নগ্ন আক্রমণ বিদ্যমান শোষণমূলক পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব ব্যবস্থার সংকটকে ও চরিত্রকেই আরো স্বচ্ছভাবে উন্মোচন করেছে। সাম্রাজ্যবাদীদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চরম সংকটকে সাময়িকভাবে সুসংহত করতে বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহ এই শতকের শুরু থেকেই পুনরায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। কিছু কিছু দেশে মার্কিন বা রুশ সাম্রাজ্যবাদ এককভাবে আগ্রাসন চালালেও বিশ্ব আজ ৩য় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি।  

আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের বিপরীতে বিশ্বের নিপীড়িত জাতি ও জনতাকে কোনো সাম্রাজ্যবাদের পক্ষ না নিয়ে নিজেদের মাঝে সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ঐক্য গড়ে তুলে সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচন এবং এদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। 

ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদের মালিক কেবল সে দেশের জনগণ। সে দেশের জনগণই দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারক। কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। ভেনেজুয়েলার নিপীড়িত জনতাকে অবশ্যই নিজ দেশের সাম্রাজ্যবাদের দালালদের মুখোশও উন্মোচন করতে হবে এবং মার্কিনের এই সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হয়ে তাদের জাতীয় সম্পদ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণ আন্দোলন-গণসংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। গড়ে তুলতে হবে গণযুদ্ধ– যে গেরিলাযুদ্ধের কথা মাদুরো বলেছিলেন, কিন্তু তার সফল প্রস্তুতি নেননি।

 ভেনেজুয়েলাসহ এ ধরনের নিপীড়িত দেশ ও জনগণের মুক্তির আর কোনো পথ নেই। সাম্রাজ্যবাদী ৩য় বিশ্বযুদ্ধকে প্রতিরোধ করা, বা তা বেধে গেলে সে পরিস্থিতিতে জনগণের করণীয় শুধুমাত্র এটাই হতে পারে।

ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব ও সংকট

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাম্রাজ্যবাদী মার্কিনের শাসকরা ফ্যাসিস্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে অপহরণ করেছে। সকল ধরনের আন্তর্জাতিক বুর্জোয়া আইন লঙ্ঘন করা এই বর্বর হামলায় অর্ধশত নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। বহু জনগণ তাদের নিজ এলাকা-বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মাদুরোকে ‘কোকেন’ নামক এক মাদক পাচারের হাস্যকর অভিযোগে অপহরণ করা হয়েছে। কিন্তু এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার যে, হামলার মূল উদ্দেশ্য সে দেশের তেল-সম্পদ লুণ্ঠন করা, তাকে নিজ অধীনতায় নেয়া এবং সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়ার অনুগত মাদুরোর নেতৃত্বাধীন ভেনেজুয়েলাকে সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের বশে আনা। অনেকদিন ধরে বশে আনতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মিথ্যা অভিযোগ করে একটি স্বতন্ত্র দেশের প্রেসিডেন্টকে এভাবে অপহরণ করা হলো। লাতিন আমেরিকার খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার বড় তেলের মজুদের দিকে শকুনের নজর ছিল মার্কিনের।

 ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বছরের পর বছর ভেনেজুয়েলান সরকারের উপর সামরিক আগ্রাসনের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিনের এই ধরনের সন্ত্রাসী বর্বর হামলা এই প্রথম নয়। এর আগে ১৯৮৯ সালে পানামার প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নোরিগাকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে একইভাবে আটক করেছিল। 

ট্রাম্প এখন ঘোষণা করেছে, ভেনেজুয়েলাকে এখন তারাই চালাবে, সে দেশের তেল তারাই বিক্রি করবে, তেল-বিক্রির লাভ তারাই নেবে, তবে ভেনেজুয়েলাকেও কিছু ভিক্ষা দেবে। কিছু আগে মার্কিনের একনিষ্ঠ দালাল মাচেদোকে নোবেল পুরষ্কার পাইয়ে দেয় আমেরিকা। যে মাচেদো কি না লাতিন আমেরিকার একমাত্র আলোচিত ব্যক্তি যে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যাকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছিল। আর এখন ট্রাম্প-মার্কিন এই মাচেদো বা বর্তমান ভাইসপ্রেসিডেন্টে’র মতো লোকদের দিয়েই ভেনেজুয়েলাকে চালাতে চায়। বর্তমানের আধুনিক বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী শোষণ-নিয়ন্ত্রণ বিশ্বজুড়ে সর্বত্র থাকলেও এ ধরনের গুন্ডামি সাম্রাজ্যবাদের সংকট ও আগ্রাসী তৎপরতার এক নতুন পর্বকে প্রকাশ করছে। লাতিন আমেরিকায় পুরোপুরি মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ১৮২৩ সালের ‘মনরো ডকট্রিন’ বা পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের নীতিকে নবায়ন করে ‘ডনরো ডকট্রিন’ নামকরণ করে ফ্যাসিস্ট ট্রাম্প। এটা ট্রাম্প-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের এক নিকৃষ্টতম ফ্যাসিস্ট রূপ। একটা দেশের প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করে ঐ দেশ আবার নিজে চালানোর ঘোষণা দেওয়া সেই নগ্ন চরিত্রই প্রকাশ করে। 

চীন ভেনেজুয়েলায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অন্যদিকে দেশটির সমরাস্ত্রের যোগান দেয় রাশিয়া। ফলে মার্কিনের আধিপত্য সেখানে হুমকির মুখে থাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ‘মাদুরো-কান্ড’ ঘটায়। শুধু তাই নয়, মেক্সিকো, কিউবা, কলম্বিয়া, গ্রিনল্যান্ড দখলেরও তারা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসবের মধ্য দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আরো ফ্যাসিস্টরূপে অবতীর্ণ হয়েছে। লেনিন বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদ মানেই যুদ্ধ। 

ভেনেজুয়েলার উপর এমন আক্রমণ আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বেরও ফলশ্রুতি। এটা আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের পরিণতি হিসেবে ৩য় বিশ্ব যুদ্ধের আরো কাছে নিয়ে গেলো বিশ্বকে। মার্কিনীদের এমন সন্ত্রাসী নগ্ন আক্রমণ বিদ্যমান শোষণমূলক পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব ব্যবস্থার সংকটকে ও চরিত্রকেই আরো স্বচ্ছভাবে উন্মোচন করেছে। সাম্রাজ্যবাদীদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চরম সংকটকে সাময়িকভাবে সুসংহত করতে বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহ এই শতকের শুরু থেকেই পুনরায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। কিছু কিছু দেশে মার্কিন বা রুশ সাম্রাজ্যবাদ এককভাবে আগ্রাসন চালালেও বিশ্ব আজ ৩য় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি।  

আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের বিপরীতে বিশ্বের নিপীড়িত জাতি ও জনতাকে কোনো সাম্রাজ্যবাদের পক্ষ না নিয়ে নিজেদের মাঝে সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ঐক্য গড়ে তুলে সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচন এবং এদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। 

ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদের মালিক কেবল সে দেশের জনগণ। সে দেশের জনগণই দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারক। কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। ভেনেজুয়েলার নিপীড়িত জনতাকে অবশ্যই নিজ দেশের সাম্রাজ্যবাদের দালালদের মুখোশও উন্মোচন করতে হবে এবং মার্কিনের এই সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হয়ে তাদের জাতীয় সম্পদ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণ আন্দোলন-গণসংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। গড়ে তুলতে হবে গণযুদ্ধ– যে গেরিলাযুদ্ধের কথা মাদুরো বলেছিলেন, কিন্তু তার সফল প্রস্তুতি নেননি।

 ভেনেজুয়েলাসহ এ ধরনের নিপীড়িত দেশ ও জনগণের মুক্তির আর কোনো পথ নেই। সাম্রাজ্যবাদী ৩য় বিশ্বযুদ্ধকে প্রতিরোধ করা, বা তা বেধে গেলে সে পরিস্থিতিতে জনগণের করণীয় শুধুমাত্র এটাই হতে পারে।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র