সরকারের চিনিকল বন্ধের পাঁয়তারা রুখে দাঁড়ান
আন্দোলন প্রতিবেদন
রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
হাসিনা সরকার দেশের ৬টি চিনিকল বন্ধ করেছে। এখন আরো ৩টি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। ৬টি চিনিকলে আখ মাড়াই না থাকায় আখচাষীরা অসহায় অবস্থায় পড়েছেন। লাখ লাখ একর জমির আখ এখন কৃষকেরা সস্তায় ফরিয়া ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। মাড়াই না থাকায় রংপুর চিনিকলের ৯০ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে ছাঁটাই করেছে। করোনা পরিস্থিতি যেখানে কর্মসংস্থানকে সীমিত করে ফেলছে সেখানে হাসিনা সরকার চিনিকল বন্ধ করে লক্ষাধিক পরিবারের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েছে। করোনার মতই জনজীবনে দুর্যোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস রূপে আবির্ভূত হয়েছে এ সরকার।
চিনি শিল্পের সাথে যুক্ত কয়েক হাজার শ্রমিক-কর্মচারীসহ লক্ষাধিক আখচাষী কৃষক বেকার হয়ে পড়বেন। চিনিকলগুলো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং চিনি উৎপাদন খরচ বেশি দেখিয়ে হাসিনা সরকার পাটকল বন্ধের যুক্তির মতই শত-হাজার কোটি টাকা লোকসানের কথা তুলে ধরছে। কিন্তু কেন চিনিকলগুলো বছরে এত লোকসান দিচ্ছে? সরকারি অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাটের কারণেই চিনিকলগুলো এত লোকসান দেয়। শ্রমিক, সাধারণ কর্মচারী এবং আখচাষীরা সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বলির পাঁঠা হচ্ছেন।
সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিপতি শ্রেণির স্বার্থে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার কৃষি-ভিত্তিক দেশীয় শিল্প উচ্ছেদের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর আগে বন্ধ করেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী পাটকলগুলো। দেশের কৃষি অর্থনীতিকে সরকার ভারত নির্ভর করে ফেলছে। আওয়ামী সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, দালাল পুঁজিপতি শ্রেণির স্বার্থের প্রকল্প। যা গণউন্নয়ন, গণস্বার্থের বিরোধী। সরকারের ‘১০০টি অর্থনৈতিক জোন’ পরিকল্পনাও সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে। চিনিকল বন্ধ করে আওয়ামী সরকার দেশের চাহিদাকে আমদানি নির্ভর করে তুলছে। হাসিনা সরকারের এ সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ও গণবিরোধী ।
তাই দেশের সর্বস্তরের জনগণকে চিনিকল শ্রমিক, কর্মচারী ও আখচাষীদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে হবে। অবিলম্বে চিনিকল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার, বন্ধ চিনিকলগুলো চালু, বকেয়া বেতন পরিশোধ, চিনিকলগুলোর আধুনিকায়ন, নতুন সরকারি চিনিকল স্থাপন, বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ করে গুড় তৈরির অবাধ সুযোগ প্রদান, আখচাষীদের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেয়া, চিনিকলের আওতাধীন কৃষিজমি বিনামূল্যে কৃষকদের মধ্যে বন্টন করা- ইত্যাদি দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সরকারের চিনিকল বন্ধের পাঁয়তারা রুখে দাঁড়ান
হাসিনা সরকার দেশের ৬টি চিনিকল বন্ধ করেছে। এখন আরো ৩টি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। ৬টি চিনিকলে আখ মাড়াই না থাকায় আখচাষীরা অসহায় অবস্থায় পড়েছেন। লাখ লাখ একর জমির আখ এখন কৃষকেরা সস্তায় ফরিয়া ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। মাড়াই না থাকায় রংপুর চিনিকলের ৯০ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে ছাঁটাই করেছে। করোনা পরিস্থিতি যেখানে কর্মসংস্থানকে সীমিত করে ফেলছে সেখানে হাসিনা সরকার চিনিকল বন্ধ করে লক্ষাধিক পরিবারের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েছে। করোনার মতই জনজীবনে দুর্যোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস রূপে আবির্ভূত হয়েছে এ সরকার।
চিনি শিল্পের সাথে যুক্ত কয়েক হাজার শ্রমিক-কর্মচারীসহ লক্ষাধিক আখচাষী কৃষক বেকার হয়ে পড়বেন। চিনিকলগুলো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং চিনি উৎপাদন খরচ বেশি দেখিয়ে হাসিনা সরকার পাটকল বন্ধের যুক্তির মতই শত-হাজার কোটি টাকা লোকসানের কথা তুলে ধরছে। কিন্তু কেন চিনিকলগুলো বছরে এত লোকসান দিচ্ছে? সরকারি অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাটের কারণেই চিনিকলগুলো এত লোকসান দেয়। শ্রমিক, সাধারণ কর্মচারী এবং আখচাষীরা সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বলির পাঁঠা হচ্ছেন।
সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিপতি শ্রেণির স্বার্থে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার কৃষি-ভিত্তিক দেশীয় শিল্প উচ্ছেদের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর আগে বন্ধ করেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী পাটকলগুলো। দেশের কৃষি অর্থনীতিকে সরকার ভারত নির্ভর করে ফেলছে। আওয়ামী সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, দালাল পুঁজিপতি শ্রেণির স্বার্থের প্রকল্প। যা গণউন্নয়ন, গণস্বার্থের বিরোধী। সরকারের ‘১০০টি অর্থনৈতিক জোন’ পরিকল্পনাও সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে। চিনিকল বন্ধ করে আওয়ামী সরকার দেশের চাহিদাকে আমদানি নির্ভর করে তুলছে। হাসিনা সরকারের এ সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ও গণবিরোধী ।
তাই দেশের সর্বস্তরের জনগণকে চিনিকল শ্রমিক, কর্মচারী ও আখচাষীদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে হবে। অবিলম্বে চিনিকল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার, বন্ধ চিনিকলগুলো চালু, বকেয়া বেতন পরিশোধ, চিনিকলগুলোর আধুনিকায়ন, নতুন সরকারি চিনিকল স্থাপন, বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ করে গুড় তৈরির অবাধ সুযোগ প্রদান, আখচাষীদের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেয়া, চিনিকলের আওতাধীন কৃষিজমি বিনামূল্যে কৃষকদের মধ্যে বন্টন করা- ইত্যাদি দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র