• বৃহঃস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩০
  • ঢাকা, বাংলাদেশ
নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার ২য় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার ২য় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

১২ আগস্ট, ২০২৩- এ দেশের বিপ্লবী ধারার গণসংগঠন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা’র ২য় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার পল্টনে শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাসান ফকরী। সভাপতিত্ব করেন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জাফর হোসেন। পরিচালনা করেন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য বিপ্লব ভট্টাচার্য্য ।

উদ্বোধনের পর পরই শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার প্রয়াত জাতীয় কমিটির ছয়জন সদস্য (ময়মনসিংহের বিকাশ ভৌমিক ও মাহমুদুল আমিন খাঁন, বাগেরহাটের সাইদুর রাহমান কাজী, নরসিংদীর হরিপদ দত্ত, পাবনার সাইফুজ্জামান বুলবুল এবং দিনাজপুরের শাহজাহান সরকার)সহ গণমোর্চার সাথে যুক্ত কর্মী-সহানুভূতিশীল-সমর্থক এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিপ্লবী-গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে শহিদ ও প্রয়াত নেতা-কর্মী ও জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এরপর সম্মেলনের প্রথম পর্বের কাজ শুরু হয়।

প্রথম পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সদস্য সংগঠন কৃষক মুক্তি সংগ্রাম-এর জাতীয় কমিটির সদস্য আমিনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, মাওলানা ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা: হারুন-অর-রশিদ, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদের সদস্য সৈয়দ আবুল কালাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আশেকুল আলম পটল, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম প্রমুখ। মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গণমোর্চার প্রবাসী শাখা ও বন্ধু সংগঠনের পাঠানো শুভেচ্ছা বক্তব্য পড়ে শুনানো হয়। সভাপতির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর্ব শেষ হয়। 

তারপর রূপান্তর গণনাট্য মণ্ডলীর উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিপ্লবী ধারার বিভিন্ন গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয় ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়। 

দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এই পর্বে প্রতিনিধি/পর্যেবক্ষক কার্ড বিতরণ করা হয়। সংগঠনের ঘোষণাপত্র-কর্মসূচি ও গঠনতন্ত্রের সংশোধন-সংযোজন প্রস্তাব, রাজনৈতিক প্রস্তাবাবলি ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। প্রতিনিধি-পর্যেবক্ষকগণ মতামত প্রদানের মধ্য দিয়ে উক্ত দলিলপত্র গ্রহণ করেন। সম্মেলনে উত্থাপিত দলিলাদির সংশোধনী-সংযোজনী প্রস্তাবাবলি সংশোধন-সংযোজনের দায়িত্ব নবনির্বাচিত জাতীয় কমিটির উপর অর্পণ করে।

এরপর জাতীয় কমিটি নির্বাচন পবের্র শুরুতে প্রাক্তন জাতীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং নতুন জাতীয় কমিটির প্যানেল পেশ করা হয়। প্রস্তাবিত প্যানেলের উপর প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষকগণ পর্যালোচনা করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত প্যানেলটি গৃহীত হয়। সম্মেলন জাফর হোসেনকে সভাপতি করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কমিটি নির্বাচন করে। জাতীয় কমিটি নির্বাচন শেষে কমিটির সদস্যগণ মঞ্চে সমবেত হন এবং প্রতিনিধি-পর্যবেক্ষক এবং কমিটি পরস্পরের সাথে পরিচিত হন। সবশেষে নবনির্বাচিত সভাপতি জাফর হোসেন তার সংক্ষিপ্ত ভাষণের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ।

সবশেষে লালপতাকা, ফেস্টুন, মাইক সম্বলিত সুসজ্জিত মিছিল সম্মেলন স্থল থেকে পল্টন মোড় ঘুরে প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। 

সম্মেলনে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নড়াইল, যশোর, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, সাভার-আশুলিয়া, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা মহানগরের প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। 

প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষক অতিথিসহ দেড়শতাধিক লোক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন ।

সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ বিরোধী কৃষক আন্দোলনের নেতা শহিদ তিতুমীর, ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মাস্টার দা সূর্যসেন, তেভাগা আন্দোলনের হাজং কন্যা শহিদ বীরমাতা রাসমণি, সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদবিরোধী ও কৃষক আন্দোলনের জননেতা মাওলানা ভাসানী, এবং মাওবাদী সশস্ত্র বিপ্লবের নেতা শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদারের ছবিসহ ব্যানার, ফেষ্টুন ও লাল পতাকা দ্বারা বর্ণাঢ্য সাজে হলরুম সাজানো হয়েছিল। আন্দোলন প্রকাশনার পক্ষ থেকে একটি বুকস্টল সম্মেলন কক্ষের বাইরে বসেছিল ।

নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা ও তার সদস্য সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের শ্রম-ঘামে, সহানুভূতিশীল-সমর্থক ও বিভিন্ন স্তরের জনগণের আর্থিকসহ সার্বিক সহযোগিতা এবং বন্ধু সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সম্মেলন সফলভাবে সমাপ্ত হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার ২য় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

১২ আগস্ট, ২০২৩- এ দেশের বিপ্লবী ধারার গণসংগঠন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা’র ২য় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার পল্টনে শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাসান ফকরী। সভাপতিত্ব করেন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জাফর হোসেন। পরিচালনা করেন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য বিপ্লব ভট্টাচার্য্য ।

উদ্বোধনের পর পরই শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার প্রয়াত জাতীয় কমিটির ছয়জন সদস্য (ময়মনসিংহের বিকাশ ভৌমিক ও মাহমুদুল আমিন খাঁন, বাগেরহাটের সাইদুর রাহমান কাজী, নরসিংদীর হরিপদ দত্ত, পাবনার সাইফুজ্জামান বুলবুল এবং দিনাজপুরের শাহজাহান সরকার)সহ গণমোর্চার সাথে যুক্ত কর্মী-সহানুভূতিশীল-সমর্থক এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিপ্লবী-গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে শহিদ ও প্রয়াত নেতা-কর্মী ও জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এরপর সম্মেলনের প্রথম পর্বের কাজ শুরু হয়।

প্রথম পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সদস্য সংগঠন কৃষক মুক্তি সংগ্রাম-এর জাতীয় কমিটির সদস্য আমিনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, মাওলানা ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা: হারুন-অর-রশিদ, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদের সদস্য সৈয়দ আবুল কালাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আশেকুল আলম পটল, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম প্রমুখ। মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গণমোর্চার প্রবাসী শাখা ও বন্ধু সংগঠনের পাঠানো শুভেচ্ছা বক্তব্য পড়ে শুনানো হয়। সভাপতির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর্ব শেষ হয়। 

তারপর রূপান্তর গণনাট্য মণ্ডলীর উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিপ্লবী ধারার বিভিন্ন গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয় ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়। 

দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এই পর্বে প্রতিনিধি/পর্যেবক্ষক কার্ড বিতরণ করা হয়। সংগঠনের ঘোষণাপত্র-কর্মসূচি ও গঠনতন্ত্রের সংশোধন-সংযোজন প্রস্তাব, রাজনৈতিক প্রস্তাবাবলি ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। প্রতিনিধি-পর্যেবক্ষকগণ মতামত প্রদানের মধ্য দিয়ে উক্ত দলিলপত্র গ্রহণ করেন। সম্মেলনে উত্থাপিত দলিলাদির সংশোধনী-সংযোজনী প্রস্তাবাবলি সংশোধন-সংযোজনের দায়িত্ব নবনির্বাচিত জাতীয় কমিটির উপর অর্পণ করে।

এরপর জাতীয় কমিটি নির্বাচন পবের্র শুরুতে প্রাক্তন জাতীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং নতুন জাতীয় কমিটির প্যানেল পেশ করা হয়। প্রস্তাবিত প্যানেলের উপর প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষকগণ পর্যালোচনা করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত প্যানেলটি গৃহীত হয়। সম্মেলন জাফর হোসেনকে সভাপতি করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কমিটি নির্বাচন করে। জাতীয় কমিটি নির্বাচন শেষে কমিটির সদস্যগণ মঞ্চে সমবেত হন এবং প্রতিনিধি-পর্যবেক্ষক এবং কমিটি পরস্পরের সাথে পরিচিত হন। সবশেষে নবনির্বাচিত সভাপতি জাফর হোসেন তার সংক্ষিপ্ত ভাষণের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ।

সবশেষে লালপতাকা, ফেস্টুন, মাইক সম্বলিত সুসজ্জিত মিছিল সম্মেলন স্থল থেকে পল্টন মোড় ঘুরে প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। 

সম্মেলনে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নড়াইল, যশোর, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, সাভার-আশুলিয়া, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা মহানগরের প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। 

প্রতিনিধি/পর্যবেক্ষক অতিথিসহ দেড়শতাধিক লোক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন ।

সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ বিরোধী কৃষক আন্দোলনের নেতা শহিদ তিতুমীর, ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মাস্টার দা সূর্যসেন, তেভাগা আন্দোলনের হাজং কন্যা শহিদ বীরমাতা রাসমণি, সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদবিরোধী ও কৃষক আন্দোলনের জননেতা মাওলানা ভাসানী, এবং মাওবাদী সশস্ত্র বিপ্লবের নেতা শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদারের ছবিসহ ব্যানার, ফেষ্টুন ও লাল পতাকা দ্বারা বর্ণাঢ্য সাজে হলরুম সাজানো হয়েছিল। আন্দোলন প্রকাশনার পক্ষ থেকে একটি বুকস্টল সম্মেলন কক্ষের বাইরে বসেছিল ।

নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা ও তার সদস্য সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের শ্রম-ঘামে, সহানুভূতিশীল-সমর্থক ও বিভিন্ন স্তরের জনগণের আর্থিকসহ সার্বিক সহযোগিতা এবং বন্ধু সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সম্মেলন সফলভাবে সমাপ্ত হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র