• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

করোনাকালে দেশে নিত্যপণ্যের বাজার দর 

শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণের নাভিশ্বাস

করোনাকালে দেশে নিত্যপণ্যের বাজার দর 

শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণের নাভিশ্বাস

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে দেশের জনগণের বিরাট একটা অংশ কাজ/চাকরি হারিয়েছেন। দারিদ্রের হার বেড়েছে। আর করোনায় পরিবারপ্রতি আয় কমেছে। করোনাকালের আর্থিক দুরাবস্থা এখন আরো প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে।

  ভাল মানের মোটা চালের দাম ৫১-৫৫ টাকা। যা গত বছরে একই সময়ের থেকে ৩৬-৬৮ শতাংশ বেশি। খাদ্যসচিব বলছে দেশে চালের কোনো সংকট নেই। তা হলে কেনো চালের দাম বাড়ছে?

দেশে মোটা চাল ছাড়াও আলু, পেঁয়াজ, ডিম. সোয়াবিন তেল এবং ডালেরও দাম চড়া হওয়ায় দরিদ্র মানুষ দুর্বিসহ দিন কাটাচ্ছেন। আলু ভর্তাও নাগালের বাইরে। গত বছর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়ে গিয়েছিল। বড় ব্যবসায়ীরা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে তাদের মুনফাখোর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ তারাই সরকার চালায়, আওয়ামী লীগকে চালায়।

কৃষকরা সাম্রাজ্যবাদ, দালাল পুঁজিবাদ, জোতদার-মহাজন-ইজারাদার এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রেতা মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়া ব্যবসায়ী দ্বারা শোষিত হচ্ছেন। ফলে দেশের কৃষকদের দারিদ্র কাটছে না। একদিকে কৃষক শোষণে দরিদ্র হচ্ছেন। অন্যদিকে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণ বেশি দামে কৃষি পণ্য ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জীবনযাত্রার মান আরো নিচে নেমে যাচ্ছে। আর মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়া এবং মজুতদার ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছে।

আওয়ামী-হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের কৃষিকে ধ্বংস করে তাকে বিদেশ নির্ভর করে বিদেশি এবং দেশি মুনাফাখোরী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। নিজেরা কমিশন খেয়ে তাদের পাহারা দিচ্ছে। এই ফ্যাসিবাদী সরকার এবং দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি বুর্জোয়া শাসকশ্রেণিকে যতদিন না দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করে গণক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে ততদিন শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণ এই শোষণ থেকে মুক্তি পাবে না, তাদের নাভিশ্বাস চলতেই থাকবে।

করোনাকালে দেশে নিত্যপণ্যের বাজার দর 

শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণের নাভিশ্বাস

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে দেশের জনগণের বিরাট একটা অংশ কাজ/চাকরি হারিয়েছেন। দারিদ্রের হার বেড়েছে। আর করোনায় পরিবারপ্রতি আয় কমেছে। করোনাকালের আর্থিক দুরাবস্থা এখন আরো প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে।

  ভাল মানের মোটা চালের দাম ৫১-৫৫ টাকা। যা গত বছরে একই সময়ের থেকে ৩৬-৬৮ শতাংশ বেশি। খাদ্যসচিব বলছে দেশে চালের কোনো সংকট নেই। তা হলে কেনো চালের দাম বাড়ছে?

দেশে মোটা চাল ছাড়াও আলু, পেঁয়াজ, ডিম. সোয়াবিন তেল এবং ডালেরও দাম চড়া হওয়ায় দরিদ্র মানুষ দুর্বিসহ দিন কাটাচ্ছেন। আলু ভর্তাও নাগালের বাইরে। গত বছর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়ে গিয়েছিল। বড় ব্যবসায়ীরা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে তাদের মুনফাখোর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ তারাই সরকার চালায়, আওয়ামী লীগকে চালায়।

কৃষকরা সাম্রাজ্যবাদ, দালাল পুঁজিবাদ, জোতদার-মহাজন-ইজারাদার এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রেতা মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়া ব্যবসায়ী দ্বারা শোষিত হচ্ছেন। ফলে দেশের কৃষকদের দারিদ্র কাটছে না। একদিকে কৃষক শোষণে দরিদ্র হচ্ছেন। অন্যদিকে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণ বেশি দামে কৃষি পণ্য ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জীবনযাত্রার মান আরো নিচে নেমে যাচ্ছে। আর মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়া এবং মজুতদার ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছে।

আওয়ামী-হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের কৃষিকে ধ্বংস করে তাকে বিদেশ নির্ভর করে বিদেশি এবং দেশি মুনাফাখোরী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। নিজেরা কমিশন খেয়ে তাদের পাহারা দিচ্ছে। এই ফ্যাসিবাদী সরকার এবং দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি বুর্জোয়া শাসকশ্রেণিকে যতদিন না দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করে গণক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে ততদিন শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণ এই শোষণ থেকে মুক্তি পাবে না, তাদের নাভিশ্বাস চলতেই থাকবে।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র